স্মার্টনেস ও দক্ষতা আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষতার প্রয়োজন হয় কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত নিপুনভাবে কাজ করার জন্য। আর স্মার্টনেস আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি মানুষ হিসেবে স্মার্ট হিসেবে গড়ে উঠতে চাইলে প্রয়োজন:
১) You need to look good. কথায় বলে আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী।চুল গুলো ভালভাবে কাটিং করা এবং আচড়ানো।
২) অনেকে বলবে জামা কাপড় অনেক দাম।কিভাবে স্মার্ট হব।কম দামেও ঢাকা কলেজ কিংবা হকার্স মার্কেট থেকে পাঁচশত টাকা দিয়ে ভাল একটা প্যান্ট,স্কাই ব্লু শার্ট,কালো প্যন্ট,জুতা কিনে পড়তে পার।
৩) বাংলা ভাষায় ভালভাবে কথা বলতে ও লিখতে জানতে হবে।কম্পক্ষে দুটি ভাষায় কথা বলতে পারা প্রয়োজন স্মার্টনেসের জন্য।
৪) দাঁতটা হলুদ থাকতে পারবেনা। স্মার্টনেসের বারটা বাজাবে এটা।
৫) কোনকিচু বললে কনফিডেন্টলি বলতে হবে। শারীরিক ভঙ্গিতে কনফিডেন্ট থাকতে হবে।কাচু মাচু করে কথা বলার অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করতে হবে।
৬) পৃথিবীর সাত মহাদেশে কি ঘটছে তা জানতে হবে।Geopolitics, finance, technology ইত্যাদি সম্পর্কে সাম্প্রতিক জ্ঞান থাকা উচিত।
৭) কনভার্সেশন স্টারটার-কি দিয়ে কথা শুরু করব। ভাইয়া আপনার বাড়ি বি-বাড়িয়া আমার বাড়িও বি-বাড়িয়া এধরণের কোন কনভার্সেশন স্টারটার হতে পারেনা।কোন ইম্পরটেন্ট টপিক নিয়ে কথা বলা শুরু করতে পারেন।
৮) Basic Computer Skill must থাকতে হবে।বর্তমান যুগ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির যুগ। তাই কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
৯) Revers Mentorship মানে ছোটদের থেকেও শেখা। ছোটরা অনেক সময় অনেক কিছু জানে যা আমরা জানিনা।সবাই সব কিছু জানবে এমনতো নয়।
১০) ব্যবসা বা এন্টারপ্রিনিয়ার হলে রপ্তানী সম্পর্কে জানতে হবে।আমদানী রপ্তানী সম্পের্কে বিভিন্ন খুটিনাটি বিষয় জানতে হবে।
১১) মিটিং এ প্রেজেন্টেশনে কখন কি বলতে হবে, কখন বলতে হবেনা তা বুঝতে হবে।
১২) আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল Face দেখে মনের অবস্থা বুঝা যাবেনা।Emotion Control করতে জানতে হবে। এটাকে EQ-বলে। কেউ কিছু উল্টা-পাল্টা বললে সুন্দর করে হেসে চলে আসার দক্ষতা থাকা চাই।
১২) গোয়াড়তুমি হওয়া যাবেনা।নমনীয় মানসিকতা তৈরি করতে হবে।নতুন কিছু শুনলে ও জানলে সেটা এসেস করা শেখা। কারো কাছে কোন কিছু শেখার ব্যপারে কোন প্রকার ইগো থাকা উচিত না।I am just learning. এতবেশি আত্মসম্মানবোধ থাকা উচিত নয়।
১৩) চারপাশে কি ঘটছে তা জানতে হবে।জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যপারগুলো পজিটিভ মনোভাব নিয়ে সংগ্রহে রাখতে হবে।এনালাইটিকাল স্কিল থাকতে হবে।
১৪) ব্যতিক্রম কিছু করার চেষ্টা করুন। সবাই যা করছে আপনাকেও তাই করতে হবে এমন নয়।ব্যতিক্রমী কোনকিছু করতে পারলে মানুষ আপনাকে চিনবে এবং আপনার সম্পর্কে জানতে চাইবে।
১৫) আপনার কাজের প্রতি ওভার সিনসিয়ার হতে হবে। কেউ প্রেস করলে কাজ করবেন নতুবা করবেন না।এমন হতে পারবেনা।কোন অজুহাতে কোন কাজ ফেলে না রেখে বরং শত প্রতিকুল পরিস্থিতিতেও যদি কোন কাজ করে ফেলতে পারেন তো সেটাই স্মার্ট ব্যক্তির পরিচয়।
১৬)এই ধরনের লোকদের সাথে চলা যাদের থেকে কিছু শেখা যাবে।যাদের সাথে ঘুরে কিছু শেখা যাবেনা তাদের সাথে চলা না চলাই সমান।
১৭) You need to skill set. কেউ আপনাকে হেল্প করবেনা। Without skill no one can help you.
18) Data centre, coding, double core,single core,SM core এরকম আরো অনেক খুটি-নাটি বিষয় আপনাকে জানতে হবে।পাত্তা মানুষ তোমাকে তখন দিবে যখন মানুষ তোমার কাছে কিছু পাবে। পৃথিবীর প্রত্যেকটা রিলেশনশিপ ট্রানজেকশনাল।
১৯) এখানে বসে বলতে হবে ট্রাম্পের স্ত্রী কি বলেছে ট্রাম্প সম্পর্কে।
২০) বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে ভার্চুয়ালী সাড়া পৃথিবী ঘোরা যায়। ফিজিক্যালি ভ্রমন না করলেও চলে।
২১) নিজেকে শুধু বাংলাদেশী আর বাংলাদেশী হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে গ্লোবাল চিন্তা করা। You should represent your country proudly.
২২)স্হান ও মানুষ বুঝে কথা বলা। তাদের লোকাল কিছু ডায়ালগ জানা ও বলা। দেখবেন মানুষের মধ্যে আপনার প্রতি কেমন পজিটিভ প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে।“Life is fun.”
২৩) রাতের বেলা সেল্ফ টক করতে হবে।সারাদিন কি শিখলাম কি এখনো জানিনা।
২৪) আড্ডার মাঝেও অনেক কিছু শেখা যায়। গঠণমূলক বিষয় বিনিময় করা যায়।
২৫) ভাল হতে পয়সা লাগেনা। আর সুন্দর হতে ফর্সাও হওয়া লাগেনা।সৌন্দর্য একান্তই মনের ব্যপার।
-----


0 Comments